তারাবীহের নামাজ
নারী ও পুরুষের জন্য তারাবীহের নামাজ আদায় করা সুন্নাত। রমজান শরীফের প্রত্যেক রজনীতে আদায় করা হয়। জামায়াতের সাথে আদায় করা সুন্নাতে কিফায়া। এর ওয়াক্ত এশার নামাজের পরে ও বিতির নামাজের আগ পর্যন্ত। তবে বিতিরের পরেও আদায় করা যায়। যেমন কেউ তারাবীহের নামাজের একাংশ ইমামের সাথে আদায়ের সুযোগ পেল, পরে ইমামের সাথে বিতির নামাজও আদায় করল তারপর সে তারাবীহর যে কয় রাকাত আগে বাদ গেছে তা একাকী আদায় করে নিতে পারে।
তারাবীহের নামাজের ক্বাযা নাই। তাই কেউ যদি ক্বাযার নিয়্যাতে আদায় করে তবে তা নফল হিসেবে বিবেচিত হবে। তারাবীহ হবে না। তারাবীহের নামাজ বিশ রাকাত।
তারাবীহের নামাজ আদায়ের পদ্ধতি
শুধুমাত্র রমজান মাসেই বিতির নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয়। তারাবীহের নামাজ দুই দুই রাকাত করে,দশ সালামের দ্বারা আদায় করা হয়। প্রত্যেক চার রাকাতের পরে কিছুটা অপেক্ষা করে তাসবীহ পড়তে হয়। এভাবে আদায় করা মুস্তাহাব। যাদের ক্বাযা নামাজ আছে তাদের উচিত অবসর সময়ে এবং পাঁচ ওয়াক্তের সুন্নাত ও তারাবীহের যায়গায় ঐ ক্বাযা নামাজ আদায় করে দ্রুত শেষ করা। এরপর এই নামাজগুলি আদায় করা।
তারাবীহের নামাজ যখন মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করা হয় তখন কেউ বাড়িতে একাকী তারাবীহের নামাজ আদায় করলে গুনাহ হবে না,জায়েজ হবে। তবে মসজিদের জামাতের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে। ঘরে বসে,একাধিক ব্যক্তিকে নিয়ে জামাতের সাথে আদায় করলে একাকী আদায় করার চেয়ে সাতাশ গুণ অধিক সওয়াব পাবে। প্রত্যেক ইফতিতাহ তাকবীরের সময় নিয়্যাত করা অধিক উত্তম। এশার নামাজ জামাতের সাথে আদায় করতে না পারলে তারাবীহের জামাতে যোগ দেয়া যায় না। এর জন্য প্রথমে তাঁকে একাকী এশার ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে এরপর সুযোগ থাকলে তারাবীহের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
